# বাইশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন- পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে
→ তিনি ছিলেন- সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক।
→ সংস্কৃত কলেজ থেকে উপাধি লাভ করেন- বিদ্যাসাগর
→পারিবারিক পদবী ছিল- বন্দ্যোপাধ্যায়
→তিনি স্বাক্ষর করতেন- ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে
→ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের- বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন।
→ তার প্রচেষ্টায় বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়- ১৮৫৬ সালে।
→ অনূদিত গ্রন্থ- বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭), শকুন্তলা (১৮৫৪), সীতার বনবাস (১৮৬০), ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯), বাঙলার ইতিহাস।
→ বাংলা সাহিত্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়- বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭) গ্রন্থে।
→ মৌলিক গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯২), অতি অল্প হইল (১৮৭৩), ব্রজবিলাস (১৮৮৫), রত্নপরীক্ষা (১৮৮৬)
→ বাংলা সাহিত্যের প্রথম শোঁকগাথা ও প্রথম মৌলিক গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯২)। বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর মৃত্যুশোকে লেখা।
→ তার রচিত পাঠ্যবই- বর্ণপরিচয় (১৮৫৫), কথামালা (১৮৫৬)
→ মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন- তার সহপাঠী।
....................................
→ উইলিয়াম কেরি- প্রথম জীবনে জুতা তৈরির কাজ করতেন।
→ ১৭৯৩ সালে ভারতে আসেন এবং ১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠা করেন
→ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের- বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন।
→ তিনি বাইবেল বাংলায় অনুবাদ করেন।
→ রচিত গ্রন্থ- কথোপকথন (১৮০১), ইতিহাসমালা (১৮১২)
....................................
→ উইলিয়াম রোদেনস্টাইন ইংরেজ বুদ্ধিজীবী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও
কবি ইয়েটস-এর বন্ধু।
→ ১৯১১ সালে ভারতবর্ষে আগমন করেন । এ
সময় রবীন্দ্রনাথের সাথে সখ্য হয়।
→ ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইংল্যান্ডে (রোদেনস্টাইনের বাড়িতে) কয়েকজন ইংরেজ কবির উপস্থিতিতে 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদ পাঠ করেন। এদেরই কয়েক জনের প্রচেষ্টায় রবীন্দ্রনাথের নাম নোবেল পুরস্কার কমিটিতে উত্থাপিত হয় ।
..................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
# তেইশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→ উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী একজন- শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার
→ তার আসল নাম- কামদারঞ্জন রায়। পাঁচ বছর বয়সে অপুত্রক জমিদার হরিকিশোর রায় চৌধুরী তাকে দত্তক নেন এবং নিজের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখেন উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী।
→ সম্পাদিত পত্রিকা- সন্দেশ (১৯১৩)
→ অঙ্কিত বিখ্যাত চিত্র- বলরামের দেহত্যাগ
→ সাহিত্যকর্ম- সেকালের কথা (১৯০৩), টুনটুনির বই।
....................................
→ এস, ওয়াজেদ আলী একজন- প্রাবন্ধিক, ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা
→ রচিত প্রবন্ধ- জীবনের শিল্প (১৯৪১), প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩), ভবিষ্যতের বাঙালি (১৯৪৩)
→ উপন্যাস- গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০)
→ ভ্রমণকাহিনী- পশ্চিম ভারত (১৯৪৮), মোটরযোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯)
....................................
→ কল্যাণ মিত্র- একজন নাট্যকার
→ মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো তাঁর রূপকধর্মী সিরিজ নাটক- জল্লাদের দরবার, মীরজাফরের রোজনামচা।
..................................
→ কাঙাল হরিণাথের আসল নাম- হরিণাথ মজুমদার
→ কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৬৩) বের করতেন। স্বর্ণকুমারী দেবীর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন) আর্থিক সহায়তায় পত্রিকাটি দীর্ঘ ১৮ বছর প্রকাশিত হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়।
→ মুদ্রিত গ্রন্থ- বিজয় বসন্ত (১৮৫৯), চারু চরিত্র (১৮৬৩), অক্রুর সংবাদ (১৮৭৩), চিত্তচপলা (১৮৭৬)
....................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
# চব্বিশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→ বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা- কাজী আবদুল ওদুদ
→ রচিত উপন্যাস- নদীবক্ষে (১৯১৯), আজাদ (১৯৪৮)।
→ গল্পগ্রন্থ- মীর পরিবার (১৯১৮), তরুণ (১৯৪৮)
→ বিখ্যাত প্রবন্ধ- কবিগুরু গ্যাটে (১৯৪৬), শাশ্বত বঙ্গ (১৯৫১)
....................................
→ কাজী ইমদাদুল হক- ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান।
→ রচিত উপন্যাস- আব্দুল্লাহ (১৯৩২)। এ উপন্যাসে ৩০টি অধ্যায় লেখার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বাকী ১১টি অধ্যায় কাজী আনোয়ারুল কাদির সমাপ্ত করেন।
→ কাব্য- আঁখিজল (১৯০০), লতিকা (১৯০৩, অপ্রকাশিত)।
→ সম্পাদিত পত্রিকা- শিক্ষক (১৯২০)।
....................................
→ কাজী মোতাহার হোসেন- ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
→ তিনি ‘শিখা’ পত্রিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার সম্পাদক।
→ ১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানীর কাগমারী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
→ প্রবন্ধ সংকলন- সঞ্চরণ (১৯৩৭), সেই পথ লক্ষ্য করে (১৯৫৮), আলোকবিজ্ঞান (১৯৭৬)।
..................................
→ কবি কামিনী রায়ের জন্ম- বরিশালের বাসন্ডা গ্রামে।
→ তিনি একসময় ‘জনৈক বঙ্গমহিলা’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন।
→ রচিত কাব্য- আলো ও ছায়া (১৮৮৯), মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩), আশোক সঙ্গীত (১৯১৪), দীপ ও ধূপ (১৯২৯) , জীবন পথে (১৯৩০)।
....................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন- পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে
→ তিনি ছিলেন- সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক।
→ সংস্কৃত কলেজ থেকে উপাধি লাভ করেন- বিদ্যাসাগর
→পারিবারিক পদবী ছিল- বন্দ্যোপাধ্যায়
→তিনি স্বাক্ষর করতেন- ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে
→ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের- বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন।
→ তার প্রচেষ্টায় বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়- ১৮৫৬ সালে।
→ অনূদিত গ্রন্থ- বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭), শকুন্তলা (১৮৫৪), সীতার বনবাস (১৮৬০), ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯), বাঙলার ইতিহাস।
→ বাংলা সাহিত্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়- বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭) গ্রন্থে।
→ মৌলিক গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯২), অতি অল্প হইল (১৮৭৩), ব্রজবিলাস (১৮৮৫), রত্নপরীক্ষা (১৮৮৬)
→ বাংলা সাহিত্যের প্রথম শোঁকগাথা ও প্রথম মৌলিক গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৯২)। বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর মৃত্যুশোকে লেখা।
→ তার রচিত পাঠ্যবই- বর্ণপরিচয় (১৮৫৫), কথামালা (১৮৫৬)
→ মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন- তার সহপাঠী।
....................................
→ উইলিয়াম কেরি- প্রথম জীবনে জুতা তৈরির কাজ করতেন।
→ ১৭৯৩ সালে ভারতে আসেন এবং ১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠা করেন
→ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের- বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন।
→ তিনি বাইবেল বাংলায় অনুবাদ করেন।
→ রচিত গ্রন্থ- কথোপকথন (১৮০১), ইতিহাসমালা (১৮১২)
....................................
→ উইলিয়াম রোদেনস্টাইন ইংরেজ বুদ্ধিজীবী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও
কবি ইয়েটস-এর বন্ধু।
→ ১৯১১ সালে ভারতবর্ষে আগমন করেন । এ
সময় রবীন্দ্রনাথের সাথে সখ্য হয়।
→ ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইংল্যান্ডে (রোদেনস্টাইনের বাড়িতে) কয়েকজন ইংরেজ কবির উপস্থিতিতে 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদ পাঠ করেন। এদেরই কয়েক জনের প্রচেষ্টায় রবীন্দ্রনাথের নাম নোবেল পুরস্কার কমিটিতে উত্থাপিত হয় ।
..................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
# তেইশ #
......................................
...................................
→ উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী একজন- শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার
→ তার আসল নাম- কামদারঞ্জন রায়। পাঁচ বছর বয়সে অপুত্রক জমিদার হরিকিশোর রায় চৌধুরী তাকে দত্তক নেন এবং নিজের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখেন উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী।
→ সম্পাদিত পত্রিকা- সন্দেশ (১৯১৩)
→ অঙ্কিত বিখ্যাত চিত্র- বলরামের দেহত্যাগ
→ সাহিত্যকর্ম- সেকালের কথা (১৯০৩), টুনটুনির বই।
....................................
→ এস, ওয়াজেদ আলী একজন- প্রাবন্ধিক, ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা
→ রচিত প্রবন্ধ- জীবনের শিল্প (১৯৪১), প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩), ভবিষ্যতের বাঙালি (১৯৪৩)
→ উপন্যাস- গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০)
→ ভ্রমণকাহিনী- পশ্চিম ভারত (১৯৪৮), মোটরযোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯)
....................................
→ কল্যাণ মিত্র- একজন নাট্যকার
→ মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো তাঁর রূপকধর্মী সিরিজ নাটক- জল্লাদের দরবার, মীরজাফরের রোজনামচা।
..................................
→ কাঙাল হরিণাথের আসল নাম- হরিণাথ মজুমদার
→ কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৬৩) বের করতেন। স্বর্ণকুমারী দেবীর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন) আর্থিক সহায়তায় পত্রিকাটি দীর্ঘ ১৮ বছর প্রকাশিত হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়।
→ মুদ্রিত গ্রন্থ- বিজয় বসন্ত (১৮৫৯), চারু চরিত্র (১৮৬৩), অক্রুর সংবাদ (১৮৭৩), চিত্তচপলা (১৮৭৬)
....................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
# চব্বিশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→ বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা- কাজী আবদুল ওদুদ
→ রচিত উপন্যাস- নদীবক্ষে (১৯১৯), আজাদ (১৯৪৮)।
→ গল্পগ্রন্থ- মীর পরিবার (১৯১৮), তরুণ (১৯৪৮)
→ বিখ্যাত প্রবন্ধ- কবিগুরু গ্যাটে (১৯৪৬), শাশ্বত বঙ্গ (১৯৫১)
....................................
→ কাজী ইমদাদুল হক- ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান।
→ রচিত উপন্যাস- আব্দুল্লাহ (১৯৩২)। এ উপন্যাসে ৩০টি অধ্যায় লেখার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বাকী ১১টি অধ্যায় কাজী আনোয়ারুল কাদির সমাপ্ত করেন।
→ কাব্য- আঁখিজল (১৯০০), লতিকা (১৯০৩, অপ্রকাশিত)।
→ সম্পাদিত পত্রিকা- শিক্ষক (১৯২০)।
....................................
→ কাজী মোতাহার হোসেন- ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
→ তিনি ‘শিখা’ পত্রিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার সম্পাদক।
→ ১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানীর কাগমারী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
→ প্রবন্ধ সংকলন- সঞ্চরণ (১৯৩৭), সেই পথ লক্ষ্য করে (১৯৫৮), আলোকবিজ্ঞান (১৯৭৬)।
..................................
→ কবি কামিনী রায়ের জন্ম- বরিশালের বাসন্ডা গ্রামে।
→ তিনি একসময় ‘জনৈক বঙ্গমহিলা’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন।
....................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।
No comments:
Post a Comment