ABOUT AUTHOR

test

??? ???????

Post Top Ad

Your Ad Spot

Tuesday, June 20, 2017

শীকর বাংলা সাহিত্য ৬

# উনিশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
.....................................
→ বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা – আবুল হুসেন
→ তিনি 'শিখা' পত্রিকা প্রথম সংখ্যার (১৯২৭) সম্পাদক।
→ রচিত প্রবন্ধ- বাংলার বলশী (১৯২৫), বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা (১৯২৮), মুসলিম কালচার (১৯২৮)।
........................................
→ আরজ আলী মাতুব্বর একজন – লৌকিক দার্শনিক।
→ তিনি বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে মরণোত্তর চক্ষু ও দেহদান করেন।
→ প্রকাশিত গ্রন্থ- সত্যের সন্ধানে (১৯৭৩), সৃষ্টির রহস্য (১৯৭৮), স্মরণিকা (১৯৮২), অনুমান (১৯৮৩)
.........................................
→ আল মাহমুদের প্রকৃত নাম- মীর আব্দুশ শাকুর আল মাহমুদ
→ তিনি দৈনিক গণকন্ঠ পত্রিকার – প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক
→ ১৯৭৪ সালে সরকার গণকণ্ঠ পত্রিকা বন্ধ করে এবং সম্পাদককে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। জেলে থাকাকালে তার জীবনাদর্শের পরিবর্তন ঘটে। তিনি মার্কসবাদী আদর্শ বাদ দিয়ে ইসলামী আদর্শ গ্রহণ করেন।
→ তার রচিত কাব্য- লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), মায়াবী পর্দা দুলে (১৯৬৯), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), আরব্য রজনীর রাজহাঁস।
→ গল্পগ্রন্থ- পানকৌড়ির রক্ত (১৯৭৫), সৌরভের কাছে পরাজিত (১৯৮৩), গন্ধবণিক।
→ উপন্যাস- ডাহুকী (১৯৯২), উপমহাদেশ (১৯৯৩), আগুনের মেয়ে (১৯৯৫), কাবিলের বোন (২০০১)।
.......................................
→ আলাউদ্দিন আল আজাদ – শিক্ষাবিদ, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার।
→ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। তার উদ্যোগেই প্রকাশিত হয় ‘একুশের প্রথম বুলেটিন’।
→ প্রথম শহীদ মিনার ধ্বংসের পর রচনা করেন অমর কবিতা - ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২)।
→ তার রচিত উপন্যাস- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০), শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম রাত (১৯৬২), কর্ণফুলি (১৯৬২), ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪)।
→ গল্প-  জেগে আছি (১৯৫০), ধানকন্যা (১৯৫১), মৃগনাভি (১৯৫৩), আমার রক্ত আমার স্বপ্ন (১৯৭৫)
→ কাব্য- মানচিত্র (১৯৬১), লেলিহান পাণ্ডুলিপি (১৯৭৫), নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ (১৯৮৩)
→ নাটক- মরক্কোর জাদুঘর (১৯৫৯), মায়াবী প্রহর (১৯৬৩), নিংশব্দ যাত্রা (১৯৭২), নরকে লাল গোলাপ (১৯৭২), ইহুদির মেয়ে (১৯৬২, কাব্যনাট্য), রঙ্গিন মুদ্রারাক্ষস (১৯৯৪, কাব্যনাট্য)
.........................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।

# বিশ #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
.....................................
® ড. আশরাফ সিদ্দিকী একজন- লোকসাহিত্য গবেষক। (উল্লেখ্য বাংলাদেশের লোকসাহিত্যের প্রখ্যাত গবেষক হলেন- মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন, ড. আশরাফ সিদ্দিকী, ড. মাযহারুল ইসলাম।)
®  তার লোকসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ- কিংবদন্তীর বাংলা (১৯৭৫), লোকয়াত বাংলা (১৯৭৮), আবহমান বাংলা (১৯৮৭)।
® উপন্যাস-  শেষকথা কে বলবে (১৯৮০), আরশিনগর (১৯৮৮), গুণীন (১৯৮৯), বাংলার মুখ (১৯৯৯)
........................................
®  আসকার ইবনে শাইখ একজন- প্রখ্যাত নাট্যকার । (আসকার শব্দের অর্থ নেতৃত্বদানকারী)
®  তিনি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ‘মাসিক দ্যুতি’ সম্পাদনা করতেন।
® রচিত নাটক- বিরোধ (১৯৪৭), বিদ্রোহী পদ্মা (১৯৪৮), দুরন্ত ঢেউ (১৯৫১)।
.........................................
®  আহমদ ছফা একজন- কবি, লেখক, সমাজবিজ্ঞানী
®তার রচিত উপন্যাস- সূর্য তুমি সাথী (১৯৬৭), ওঙ্কার (১৯৭৫), মরণবিলাস (১৯৮৯), অলাতচক্র (১৯৯৩), অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী (১৯৯৬)
® তার ‘গাভী বিত্তান্ত’ (১৯৯৫) উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিসি মিঞা মোহাম্মদ আবু জুনায়েদ।
®  তার গ্রন্থ ‘যদ্যপি আমার গুরু’ (১৯৯৭) জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক প্রসঙ্গে রচিত।
® মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পত্রিকা ‘প্রতিরোধ',‘দাবানল’ সম্পাদনা করতেন।
.......................................
®  আহসান হাবীব একজন খ্যাতনামা – কবি ও সাংবাদিক
® প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ প্রকাশিত হয় ফিরোজপুর সরকারি স্কুল ম্যাগাজিনে।
® রচিত কাব্যগ্রন্থ- রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), আশায় বসতি (১৯৭৪), মেঘ বলে চৈত্রে যাব (১৯৭৬)
® উপন্যাস- অরণ্যে নীলিমা (১৯৬২), রানী খালের সাঁকো (১৯৬৫), জাফরানী রং পায়রা
..........................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য

# একুশ  #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
...................................
→  প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ ছিলেন- সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।
→ তিনি সুদীর্ঘ ২২ বছর টাঙ্গাইলের করোটিয়া সাদাত কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম প্রিন্সিপাল। এজন্য তার নামের সাথে ‘প্রিন্সিপাল’ শব্দটি যোগ করা হয়।
→ ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খান সাহেব’ ও ‘খান বাহাদুর’ উপাধি দেয়। কিন্তু সরকার মুসলিম বিদ্বেষী হওয়ায় তিনি ব্রিটিশ সরকারের এ উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন।
→ পাকিস্তান আমলে লাভ করেন ‘সিতারা ই ইমতিয়াজ’ উপাধি। ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি এ উপাধিও প্রত্যাখ্যান করেন।
→ রচিত নাটক- কাফেলা, কামাল পাশা (১৯২৭), আনোয়ার পাশা (১৯৩৯), ঋণ পরিশোধ (১৯৫৫), ভিস্তি বাদশা (১৯৫৭)।
→ গল্পগ্রন্থ- আলু বোখারা (১৯৬০), দাদুর আসর (১৯৭১)।
→ ভ্রমণ কাহিনী- ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র, নয়া চীনে এক চক্কর।
....................................
→ ইমদাদুল হক মিলন- কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
→ রচিত উপন্যাস- কালো ঘোড়া (১৯৯১, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), পরাধীনতা, নুরজাহান (১৯৯৫)।
→ ছোটগল্প- রাজার চিঠি, নেতা যে রাতে নিহত হলেন।
....................................
→ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত- যুগসন্ধিক্ষণের কবি।
→ তার ছদ্মনাম- ‘ভ্রমণকারী বন্ধু’। ‘গুপ্ত কবি’ নামেও পরিচিত।
→ বঙ্কিমচন্দ্র তাকে ‘খাঁটি বাঙালি কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
→ প্রকাশিত গ্রন্থ- প্রবোধ প্রভাকর (১৮৫৮), হিতপ্রভাকর (১৮৬১), বোধেন্দুবিকাশ (১৮৬৩)
→ সম্পাদিত পত্রিকা- সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক, ১৮৩৯ সালে দৈনিক), সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ণ, সংবাদ সাধুরঞ্জন।
....................................
সূত্র : 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot

???????