ABOUT AUTHOR

test

??? ???????

Post Top Ad

Your Ad Spot

Tuesday, June 20, 2017

শীকর বাংলা সাহিত্য ২

# সাত #

☆....কবিওয়ালা ও শায়ের....☆
..................................
আঠার শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের  প্রথমার্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের মুখে কলকাতার হিন্দু সমাজে ‘কবিওয়ালা বা সরকার’ এবং মুসলমান সমাজে ‘শায়ের’-এর আবির্ভাব হয়। ভারতচন্দ্রের মৃত্যু থেকে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সময়কাল পর্যন্ত কবিওয়ালা ও শায়েরদের জনপ্রিয়তা ছিল।
....................................
>>>> কবিওয়ালা <<<<
→ কবিওয়ালারা রচনা করতেন – কবিগান
→ কবিগানের আদিগুরু – গোঁজলা গুই
→ কবিওয়ালাদের সহকারীদের বলা হতো - দোহার
→ সর্বপ্রথম কবিগান সংগ্রহ করতে শুরু করেন – কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ১৮৫৪ সালে এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশ করেন।
→ উল্লেখযোগ্য কবিওয়ালা হলেন – গোঁজলা গুই, হরু ঠাকুর, ভবানী বেনে, ভোলা ময়রা, নিতাই বৈরাগী, এন্টনি ফিরিঙ্গি, নিধুবাবু, দাশরথি রায় প্রমুখ।
.......................................
>>>> শায়ের <<<<
→ শায়েরগণ রচনা করতেন – দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্য।
→ বাংলা, আরবি, ফারসি, উর্দু, ‍তুর্কি ও হিন্দি প্রভৃতি ভাষার সংমিশ্রণে ইতিহাসাশ্রিত কাল্পনিক কাহিনী থেকে বিষয়বস্তু গ্রহণ করে রচিত হতো - দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্য।
→ এ সাহিত্য কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে ছাপা হতো বলে – বটতলার পুঁথি বলা হতো।
→ উল্লেখযোগ্য শায়ের – ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মোহাম্মদ দানেশ, আবদুর রহিম, মুহম্মদ মুনশী, সাদ আলী প্রমুখ।
→ পুঁথি সাহিত্য ধারার প্রথম কাব্য – রায়মঙ্গল। রচয়িতা কবি কৃষ্ণদাস দাস।
→ দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি – ফকির গরীবুল্লাহ। তার কাব্য ‘জঙ্গনামা’।
→ পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম কবি – সৈয়দ হামজা।
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।

# আট #

☆....লোকসাহিত্য....☆
........................................
আবহমান কাল থেকে জনসাধারণের মুখেমুখে যে সাহিত্যের সৃষ্টি তাকে লোকসাহিত্য বলে। এ সাহিত্যে প্রধানত পল্লীবাংলার অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী অবদান রেখেছে। এদের সাধারণত ‘বয়াতি’ বলা হয়।
...........
→ বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য লোকসাহিত্য গবেষক – মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন, ড. আশরাফ সিদ্দিকী ও ড. মাযহারুল ইসলাম।
→ লোকসাহিত্য বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ – হারামনি (মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন), প্রবাদ সংগ্রহে (সুনীল কুমার), কবি পাগলা কানাই (ড. মাযহারুল ইসলাম)।
→ লোকসাহিত্যের শাখাগুলো হচ্ছে- ছড়া, প্রবাদ –প্রবচন, ধাঁধাঁ, গীতিকা, লোককথা, লোকসংগীত।
→ লোকসাহিত্যের শক্তিশালী শাখা – ছড়া। ছড়া সাধারণত ‘স্বরবৃত্ত’ ছন্দে লেখা হয়।
→ গীতিকা তিন প্রকার – নাথ গীথিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা, পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
→ একটিমাত্র ঐতিহাসিক ঘটনা (রাজা গোপীচাঁদের সন্ন্যাস গ্রহণ) অবলম্বনে রচিত – নাথ গীতিকা।
→ ১৮৭৮ সালে রংপুর থেকে স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন কর্তৃক সংগৃহীত গীতিকার নাম – মানিক রাজার গান।
→ ‘গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস’ গ্রন্থের রচয়িতা – শুকুর মহম্মদ।
→ মৈমনসিংহ গীতিকায় – ১০ টি গীতিকা রয়েছে।
→ মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন – চন্দ্রকুমার দে (নেত্রকোনার আইথর গ্রামের অধিবাসী)।
→ চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত পালাগানগুলো প্রথম প্রকাশিত হয় - ময়মনসিংহের 'সৌরভ' পত্রিকায়।
→ মৈমনসিংহ গীতিকা অনূদিত হয়েছে – ২৩ টি ভাষায়।
→ মৈমনসিংহ গীতিকার  ‘দস্যু কেনারামের পালা’ ব্যতীত সবগুলো গীতিকার বিষয়বস্তু – নরনারীর লৌকিক প্রেম।
→ ‘মহুয়া’ পালাটির রচয়িতা - দ্বিজ কানাই, সংগ্রাহক – পল্লীকবি জসীম উদ্দীন।
→ পল্লীবাংলার পালাগানগুলো কাব্যে রূপায়িত হলে বলে – গীতিকা। গদ্যে রূপায়িত হলে বলে – লোককথা বা লোককাহিনী।
→ লোককথা তিন প্রকার – রূপকথা, উপকথা, ব্রতকথা।
→ দক্ষিণারঞ্জন মিত্র সম্পাদিত ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ একটি – রূপকথা।

সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot

???????