ABOUT AUTHOR

test

??? ???????

Post Top Ad

Your Ad Spot

Tuesday, June 20, 2017

শীকর বাংলা সাহিত্য ৫

# ষোল #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
.....................................
→ ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা - আব্দুল গাফফার চৌধুরী। এ গানের প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ, বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
→ বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ (২০০৭) এর কাহিনী লেখক- আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
→ তার রচিত উপন্যাস – চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (১৯৬০), নাম না জানা ভোর (১৯৬২), নীল যমুনা (১৯৬৪), শেষ রাত্রির চাঁদ (১৯৭৬)।
→ গল্পগ্রন্থ – কৃষ্ণপক্ষ, সম্রাটের ছবি, সুন্দর হে সুন্দর।
→ ১৯৭৪ সালে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। আর দেশে ফিরেন নি।
.......................................
→ আব্দুল মান্নান সৈয়দের ছদ্মনাম- আশোক সৈয়দ।
→ তার রচিত কাব্য- জ্যোৎস্না রৌদ্রের চিকিৎসা (১৯৬৯), পার্ক স্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩), পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮৪)।
→ উপন্যাস- পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী (১৯৭৪), পোড়ামাটির কাজ (১৯৮২), ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৯৪)
→ গল্প- সত্যের মতো বদমাশ (১৯৬৮), একরাত্রি, মার্চ।
→ তিনি বাংলাদেশের প্রথম – পোয়েট ইন রেসিডেন্ট।
.........................................
→ সাহিত্যিক আবদুল হকের উপাধি- কলম সৈনিক
→ তার রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ- ক্রান্তিকাল (১৯৬২), ভাষা আন্দোলনের আদিপর্ব, চেতনার অ্যালবাম ও বিবিধ প্রসঙ্গ।
..........................................
→ আব্দুল্লাহ আল মামুন একজন- নাট্যকার।
→ তার রচিত নাটক- সুবচন নির্বাসনে (১৯৭৪), শাহজাদীর কালো নেকাব (১৯৭৮), এখনও ক্রীতদাস (১৯৮৪), কোকিলারা (১৯৯০)।
→ উপন্যাস- মানব তোমার সারা জীবন (১৯৮৮), হায় পার্বতী (১৯৯১), খলনায়ক (১৯৯৭)।
.......................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য ।

# সতের #
.....................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
.....................................
→ প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেন- আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দীন।
→ তিনি বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ এর – প্রধান সম্পাদক
→ তার সম্পাদিত কিশোর পত্রিকা – মুকুল (১৯৪৮)
→ রচিত গ্রন্থ – এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে (১৯৫৫), অবাক পৃথিবী (১৯৫৫), আবিষ্কারের নেশায় (১৯৬৯), রহস্যের শেষ নেই (১৯৬৯), সাগরের রহস্যপুরী (১৯৭৬), তারার দেশের হাতছানি (১৯৮৪)
........................................
→ আবু ইসহাক ছিলেন – এন.এস.আই., খুলনা বিভাগের প্রধান।
→ তার প্রথম গল্প ‘রসের জলসায়’ প্রকাশিত হয় – কাজী নজরুলের ‘নবযুগ’ পত্রিকায়।
→ রচিত উপন্যাস- সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৫৫, চরিত্র- জয়গুন, হাসু), পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬, পূর্বনাম ‘মূখর মাটি’), জাল (১৯৮৮, গোয়েন্দা কাহিনী)।
→ গল্পগ্রন্থ- হারেম (১৯৬২), মহাপতঙ্গ (১৯৬৩)।
→ ছোটগল্প -  জোঁক (নায়ক ওসমান)।
........................................
→ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কাব্যগ্রন্থ- সাতনরী হার (১৯৫৫), আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি ১৯৮১), বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩), মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ (২০০২, সর্বশেষ কাব্য)
→ বিখ্যাত কবিতা- মাগো, ওরা বলে (কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা...)
→ রাশেদ খান মেনন তার ভাই এবং বেগম সেলিমা রহমান তার বোন।
.......................................
→ আবু জাফর শামসুদ্দীনের ছদ্মনাম – অল্পদর্শী (এই নামে কলাম লিখতেন)।
→ আবু জাফর শামসুদ্দীনের ত্রয়ী উপন্যাস – ভাওয়ালপড়ের উপাখ্যান, পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন।
→ অন্যান্য উপন্যাস – পরিত্যক্ত স্বামী (১৯৪৭), প্রপঞ্জ, দেয়াল। (উল্লেখ্য হুমায়ুন আহমেদের সর্বশেষ উপন্যাস ‘দেয়াল’)
........................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য ।
# আঠার #
......................................
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক
.....................................
→ আবু হেনা মোস্তফা কামাল একজন – কবি, গীতিকার ও টিভি উপস্থাপক ছিলেন।
→ তার কাব্যগ্রন্থ- আপন যৌবন বৈরী (১৯৭৪), যেহেতু জন্মান্ধ (১৯৮৪), আক্রান্ত গজল (১৯৮৮)।
→ ১৯৬৪ সালে ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়  ফেরদৌসী রহমানের গাওয়া আবু হেনা মোস্তফা কামালের গান দিয়ে। গানটি  ছিল- ‘ওই যে আকাশ নীল হলো, সে শুধু তোমার প্রেমে’।
→ ‘আমি সাগরের নীল’- তার একটি গানের সংকলন।
........................................
→ আবুল ফজল – বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম কর্ণধার।
→ শিখা পত্রিকার পঞ্চম সংখ্যার (১৯৩১) সম্পাদক- আবুল ফজল।
→ রচিত উপন্যাস- চৌচির (১৯৩৪), প্রদীপ ও পতঙ্গ (১৯৪০), রাঙ্গাপ্রভাত (১৯৫৭)।
→ আত্মজীবনী – রেখাচিত্র (১৯৬৬), {উল্লেখ্য ‘রেখাচিত্র’ নামে বুদ্ধদেব বসুর গল্প আছে।}
→ তার রচিত চৌচির, মাটির পৃথিবী, বিচিত্র কথা- এ তিনটি গ্রন্থ ১৯৪০ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে পাঠিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও এক দীর্ঘ পত্রে এর প্রাপ্তি স্বীকার করেন।
.........................................
→ আবুল মনসুর আহমদ একাধারে – সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।
→ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার অন্যতম কারিগর।
→ তার রচিত উপন্যাস – সত্যমিথ্যা (১৯৫৩), জীবন ক্ষুধা (১৯৫৫), আবে হায়াত (১৯৬৮)। উল্লেখ্য- ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুলের উপন্যাস।
→ গল্পগ্রন্থ- আয়না (১৯৩৫, এ গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন কাজী নজরুল ইসলাম), ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪), আসমানী পর্দা (১৯৬৪)।
.......................................
→ সাহিত্যিক আবুল হাসানের প্রকৃত নাম – আবুল হোসেন মিয়া।
→ তার রচিত কাব্যগ্রন্থ- রাজা আসে রাজা যায় (১৯৭২), যে তুমি হরণ করো (১৯৭৪), পৃথক পালঙ্ক (১৯৭৫)।
.........................................
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot

???????